শাহিন আহম্মেদ (কেরানীগঞ্জ ঢাকা) প্রতিনিধি
কেরানীগঞ্জে ৭টি ইউনিয়নে রেড, ৩টি তে ইয়েলো, ২টি তে গ্রীন জোন ঘোষণা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।
সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয, মাঝারি সংক্রমণ এলাকাগুলোকে ইয়েলো আর যেসব এলাকা সংক্রমণ নেই বা ছড়িয়ে ছিটিয়ে সংক্রমণ হয়েছে সেসব এলাকাকে রাখা হয় গ্রীন জোনের মধ্যে। মহামারী করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ ও পরিস্থিতি উন্নয়নের লক্ষ্যে কেরানীগঞ্জে ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৭টি ইউনিয়নকে রেড জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেই সাথে কলাতিয়া, বাস্তা, তারানগর এই তিনটি ইউনিয়নকে ইয়েলো জোন
এবং তেঘরিয়া, হযরতপুর এই দুইটি ইউনিয়নকে গ্রীন জোনে ভাগ করা হয়েছে।কেরানীগঞ্জের জিঞ্জিরা, আগানগর, শুভাঢ্যা,কালিন্দী, শাক্তা,রোহিতপুর, কোন্ডা এই সাতটি ইউনিয়নকে রেড জোনের আওতাভুক্ত করা হয়।
আজ মঙ্গলবার (১৬জুন) থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত শুধুমাত্র রেড জোনের আওতায় থাকা সামরিক বা আধা-সামরিক, সরকারি বা আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা আধা-স্বায়ত্তশাসিত, বেসরকারি দপ্তরগুলো এবং ঔই অঞ্চলে বসবাসরত কর্মকর্তারাও সাধারণ ছুটি আওতায় থাকবে।এই নিষেধাজ্ঞা চলাকালে কেউ তার কর্মস্থল ছেড়ে অন্য কোথাও যেতে পারবেনা।
ইয়েলো ও গ্রীন জোনে অফিসগুলো নিজস্ব ব্যবস্থাপনার সীমিত পরিসরে খোলা থাকলেও সেসব অফিসগুলোতে কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
উল্লেখ্য গত ৫ এপ্রিল প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় কেরানীগঞ্জে। সেই থেকে সোমবার পর্যন্ত ২১০০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পাঠানো হলে করোনা শনাক্ত হয় ৭২৭জনের। সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ২৬৭জন এবং মৃত্যুবরণ করেছে ১৯জন
এ ব্যাপারে কেরানীগঞ্জ মডেল থানার সহকারী কমিশনার(ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল হাসান সোহেল জানান, রেড জোন এলাকায় কী কী বন্ধ থাকবে, কী কী খোলা থাকবে, আমরা সরকারের দিকনির্দেশনা ছক আকারে রেড জোন এলাকার কালক্রম পরিচালনার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। আগামী শনিবার থেকে কেরানীগঞ্জে আদেশ কার্যকর করা হবে।
Matribumi Barta Online Newspaper