ইংরেজি গ্রামারের নতুন বই লিখে আলোচনায় স্কুল শিক্ষক এম.এ. রশিদ
আনিসুর রহমান(ধোবাউড়া)
বর্তমান সময়ে ছাত্র ছাত্রী কঠিন সমস্যার প্রধান কারণ হল ইংরেজি ২য় পত্র। এই বিষয়টি ভালো ভাবে বোঝতে না পারায় তারা দুর্বল হয়ে পড়ে। এক পর্যায়ে তারা একাডেমিক পরিক্ষার রেজাল্টও খারাপ করে ফলে নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় ছাত্র ছাত্রীদের। শিক্ষার্থীদের ইংরেজিতে ভীতি দূর করার লক্ষ্যে সহজ ভাবে বুঝার জন্য সুন্দর ও সাবলীল ভাষায় ইংরেজি গ্রামারের An Exceptional English Grammar বই টি লেখেছেন তরুণ লেখক এম.এ. রশিদ। বই টি ইংরেজি এবং বাংলা দুই ভাবেই লেখা। বয়সে তরুণ হলেও তিনি তার দীর্ঘদিনের অক্লান্ত পরিশ্রম, মেধা এবং অধ্যবসায়ের দ্বারা বইটি লিখেছেন। সহজ পদ্ধতিতে বইটি সুন্দর ভাবে লেখায় তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবক সহ সর্বমহলেই প্রশংসিত এবং আলোচনার কেন্দ্র বিন্দুতে। আলোচিত এই বইটি সম্পর্কে লেখক এম.এ.রশিদের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন আমার শিক্ষা জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে ইংরেজি গ্রামার শিখতে বা শিখাতে গিয়ে যেসব সমস্যার সম্মুখীন হয়েছি সেগুলো কে নিয়ে দীর্ঘদিন পরিশ্রম এবং অধ্যবসায়ের মধ্যেমে সমাধান করে যখন ছাত্র ছাত্রীদের কে নোট করে দিয়েছি তখন তারা সেগুলো পড়ে সহজেই ইংরেজি গ্রামার শিখতে পেরে আমাকে একটি ইংরেজি গ্রামার বই লেখতে উৎসাহ দেয়। তাদের উৎসাহ পেয়ে আমি An Exceptional English Grammar বইটি লেখতে শুরু করি। দীর্ঘদিন পরিশ্রম করে সহজ পদ্ধতিতে বইটি লেখতে পেরে আমি গর্বিত। তিনি আরো বলেন এটা বাণিজ্যিক কোন উদ্দেশ্যে নয়। আমার এই প্রয়াসে যদি শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয় তাহলে সেটা হবে আমার জন্য বাড়িতে পাওনা। সরকারি ধোবাউড়া বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০২০ সালে এস.এস.সি তে A+ প্রাপ্ত ফখরুল আলম( শাওন) বলেন রশিদ স্যার ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জ থেকে ধোবাউড়ায় আসার পর আমি এবং আমার বন্ধুরা মিলে স্যারের কাছে পড়ি। স্যারের ইংরেজি বলার এবং বুঝানোর কৌশল অসাধারণ। বই টি সম্পর্কে জানতে চাইলে সে বলে ইংরেজি শিখার জন্য স্যারের বইটি অসাধারণ এবং অতুলনীয়। এমন একটি বই লেখার জন্য আমরা স্যার কে অনেক দিন ধরে অনুরোধ করতেছিলাম। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর ইংরেজি শিখার এমন সহজ ও নির্ভরযোগ্য বই পেয়ে আমরা আনন্দিত। লেখক এম এ রশিদ সম্পর্কে পোড়াকান্দুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন তার মত একজন পরিশ্রমী ও মেধাবী ইংরেজি শিক্ষক পেয়ে আমর স্কুলের ইংরেজি সমস্যার সমাধান তো হয়েছেই পাশাপাশি পুরো ধোবাউড়া উপকৃত হচ্ছে। আমার বিশ্বাস তার শিক্ষা জ্ঞানের আলোয় একদিন আলোকিত হবে পুরো বাংলাদেশ
এম এ রশিদ ১৯৮৭ সালে ২ রা নভেম্বর ময়মনসিংহ জেলার অন্তর্গত ধোবাউড়া উপজেলার নয়নকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। নয়নকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনা শেষ করে গোস্তাবহুলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ২০০৩ সালে এস এস সি এবং ২০০৫ সালে ধোবাউড়া আর্দশ কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর ময়মনসিংহের আনন্দমোহন কলেজ থেকে ইংরেজি বিষয়ে অনার্স সহ মাস্টার্স ডিগ্রী শেষ করেন। সর্বশেষ ময়মনসিংহ সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বিএড ( প্রথম স্থান) অর্জন করেন। ছাত্র জীবন থেকেই তিনি পড়াশোনার পাশাপাশি বিভিন্ন কোচিং এ শিক্ষক ও পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সেই সাথে ময়মনসিংহ শহরের বেশ কয়েকটি স্কুল,কলেজের খন্ডকালীন শিক্ষক ও লেকচারার হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এছাড়াও ময়মনসিংহের শম্ভুগঞ্জে প্রতিষ্ঠিত ” দি রেনেসাঁ মডেল স্কুল এন্ড কলেজ” এর প্রতিষ্ঠাতা প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ ছিলেন তিনি।
বর্তমানে তিনি ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ইংরেজি শিক্ষক হিসাবে কর্মরত আছেন।
Matribumi Barta Online Newspaper