ডেমরার শান্তিবাগের সামসুল হক খান স্কুলের গলিতে সরকারি খাস জমি দখল ও অবৈধ ভবন নির্মাণ করছে ডেভেলপার নামক প্রতারক চক্র, যার মুল হোতা রমজান আলী মাস্টার বা রমজান সিন্ডিকেট
(জহির মাস্টার,মনির মাস্টার, বেনজির মাস্টার,অালমগীর,ইয়াকুব মাস্টার)
অনেক দিন যাবত জাল দলিল করে অবৈধভাবে জমি দখল ও ভবন নির্মাণের সাথে জড়িত তারা।
রমজান আলীর মাষ্টার সিন্ডিকেটের কাজ হচ্ছে পুরো এলাকা জুড়ে সরকারি খাস জমি দখল করা। রমজান আলীর কাজ হল এলাকায় জোর করে বা জাল দলিলের মাধ্যমে জমি দখল করা পরবর্তীতে তার ওপর ভবন নির্মাণ করা এবং মনির মাস্টার ও জহির মাস্টারের কাজ হলো উক্ত ভবনের ফ্লাট গুলি সাধারণ মানুষের মাঝে বিক্রয় করা।যে ফ্ল্যাট গুলো কিনে পরবর্তীতে সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার হচ্ছে।এভাবে তারা একটি সংঘবদ্ধচক্র হিসেবে কাজ করছে।
এছাড়া সরকারি জমি কাগজ ও ভুয়া দলিল করে গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন বলেন-
রমজান অালী একজন শিক্ষক ও রূপসী পল্লী টাওয়ার এর চেয়ারম্যান। নামের পাশে শিক্ষকতার পেশা থাকলেও মুলত সে একজন রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী। রাজউকের কয়েকজন অসাধু কর্মকতাকে ঘুষ প্রদান করে ও স্থানীয় প্রভাবশালী বিভিন্ন পক্ষকে ম্যানেজ করে সরকারী খাস খতিয়ানের জমি দখল করে বহুতল ভবন নির্মান করে চালিয়ে যাচ্ছে ফ্ল্যাট ব্যবসা। শুধু জমি দখলই নয়, ভবন নির্মানে মানা হয়না রাজউকের কোন নিয়মনীতি। রাজউকের নিয়মের তোয়াক্কা না করেই নির্মান চলছে রজমান আলী মাস্টারের রুপসী পল্লী টাওয়ার -৮,যার কোনো রাজউকের অনুমোদন নাই সরকারি খাস জমি ডগাইর মৌজা, যার অার এস দাগ নং-১২৭৪, ‘ক’ তফসিলের খতিয়ান ১/১, যার ১৫ শতাংশ সরকারি খাস জমিতে রাজউক ও দুদক কে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে ভবনের নির্মান কাজ চালিয়ে যাচ্ছে,এ রকম অারো ৪-৫ টি ভবন নির্মাণাধীন যার কোনো রাজউক অনুমোদন নাই, রুপসী পল্লী-৬,রপসী পল্লী-৭,রুপসী পল্লী-৯ যার একটিও রাজউকের নীতিমালা না মেনে অবৈধ ভাবে নির্মান কাজ চলছে, রাজউকের কয়েকজন অসাধু কর্মকর্তাকে ঘুষ প্রদান ও স্থানীয় কয়েকজনের ছত্রছায়ায় এ সকল দুর্নীতি সমূহ করে চলছে রমজান সিন্ডিকেট ,এবং প্রয়াস টাওয়ার সহ কয়েকটি বহুতল ভবনের নির্মানের কাজ চলছে। ভবনগুলোতে বসানো ডিপ টিউবওয়েল যা ঢাকা ওয়াসার কোন অনুমোদন নাই। স্থানীয়রা আরো জানায়, ফ্ল্যাট বিক্রি করার জন্য যে সমস্ত ভবন নির্মাণ করা হয়েছে তার সব কয়টি ভবনই ঝুকিপূর্ণ। কারণ ভবন নির্মাণে ব্যবহার করা হয়েছে নিন্ম মানের সামগ্রী। যে কোন মুহুর্তে দুর্ঘটনার কবলে পড়তে ফ্ল্যাট ক্রেতাগন। শিক্ষকতার সাইন বোর্ড ব্যবহার করে মানুষের মনের মধ্যে প্রবেশ করে প্রতারণার ফায়দার লুটছে রমজান সিন্ডিকেট।
জৈনিক ব্যক্তি বলেন-রমজান অালী মাস্টার নাকি বলে বেড়ায় টাকা হলে সব সম্ভব, এছাড়া সে অারো বলে বেড়ায় এসি ল্যান্ডের সাথে মোটা অংকের টাকার মাধ্যমে খাড়া দলিলের কাগজ পত্র মিউটেশন করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ব্যক্তি জানান যে, রমজান মাষ্টার খুবই সুচতুর এবং তার প্রভাবশালী সিন্ডিকেট । সে সরকারী খাস জমি দখল করাই তাদের একমাত্র কাজ। রাজউক ও ভূমি অফিসের লোকজনের সাথে সিন্ডিকেট গড়ে সরকারী খাস জমি দখলে নিয়ে বহুতল ভবন নির্মান করে ফ্ল্যাট ব্যবসার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছেন। তবে যারা ভবনের ফ্ল্যাট কিনেছে তারা ভবিষ্যৎ ব্যাপক ক্ষতির মধ্যে পড়বে। কারন সরকার ঐ সমস্ত জমি নিয়ে গেলে ফ্ল্যাট মালিকরা কোন ক্ষতিপূরন পাবে না।
মুহা ফজলুল করীম অপূর্ব – ঢাকা দক্ষিণ প্রতিনিধি
Matribumi Barta Online Newspaper