মো: আবদুল কাদের,লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়ে অর্থ ও মূল্যবান মালামাল খোয়ালেন মো. ইসমাইল হোসেন নামে এক প্রবাসী।
মঙ্গলবার ( ৯ জুন) ভোর ৫ টার দিকে উপজেলার বামনী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের জবেদ উল্যা চৌকিদার বাড়ির সাইফুলের মুরগির খামার সংলগ্ন স্থানে ওই কুয়েত প্রবাসী ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন। এ সময় তিনি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একাই প্রাইভেটকার যোগে বাড়িতে আসছিলেন। তিনি ওই এলাকার মৃত বশির উল্যার পুত্র।
প্রবাসী ইসমাইল হোসেন দাবি করেন, ছিনতাইকারীরা সংখ্যায় দুইজন ছিলো। তাদের হাতে দা,চেনি, এবং ধারালো অস্ত্র ছিলো। তাদের গাড়িটি সদর উপজেলার মীরগঞ্জ বাজার সংলগ্ন রায়পুরের বামনী ইউনিয়নের নিজ এলাকায় আসলেই ছিনতাইকারীরা তাদের গাড়ির গতিরোধ করে অস্ত্র ঠেকিয়ে টাকা সহ মূল্যবান মালামাল লুটে নেয়।
এ সময় তাদের অস্ত্রের মূখে জিম্মি করে তার সাথে থাকা বাংলাদেশী মুদ্রায় দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা ও ৪০ হাজার টাকা দামের দুইটি মূল্যবান মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়।
এ ঘটনায় তিনি চিৎকার দিলে পাশ^বর্তী লোকজন এগিয়ে আসলে ছিনতাইকারী সদস্যরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মীরগঞ্জের বৈৗ-বাজারে রাতভর জুয়ার আসর বসে, রাত যখন গভীর হয় তখই একটি চক্র সেখানে জড়ো হয়ে এই ধরনের ছিনতাই কাজ করে।
এছাড় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যাক্তি জানিয়েছেন ঐএলাকাতে বখাটেদের উৎপাত বেড়ে গেছে। এই সব অপকর্মের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এক শ্রেণীর নেশাগ্রস্থ মাদক সেবী। এরা পার্শ্ববর্তী দুই তিনটি এলাকা থেকে এসে স্থানীয়দের জোগ সাজেসে এই সকল অপকর্ম করে থাকে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে আরো যানা গেছে অনেকেই মাছ শিকার করার নামে গভীর রাত্রি পর্যন্ত টেটা নিয়ে গুরে পরে সুযোগ বুঝে এই সব কাজ করে থাকে। গেল দুই মাস আগেও রফিক উল্যা নামের এক ব্যাক্তির কাছ থেকে কালাগাজী বাড়ীর লাল ফিলার নামক স্থান থেকে নগদ ১০ হাজার টাকা এবং মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। এছাড়াও সেখানে প্রতিনিয়তই একাধিক ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। বিশেষ করে লকডাউনের পর থেকে স্থানীয় একটি গ্রুপ সেখানে গভীর রাত পর্যন্ত অবস্থান নেয়।
দীর্ঘ প্রায় ৭ থেকে ৮ বছর যাবৎ এ যায়গায় প্রতিনিয়ত ছিনতাইকারীর কবলে পড়ে সর্ব হয়ে পড়েন। ছিনতাইকারীর কবল থেকে বাঁচার জন্য এলাকাবাসী উর্ধতন কতৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করেছেন। এছাড়াও এলাকাবাসী জানায়, ওই এলাকায় পুলিশ প্রশাসনের টহল জোরদার এবং নজরদারির মধ্যে রাখলে এ ধরণের ঘটনা কমে যেত।
এ ব্যাপারে রায়পুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো: তোতা মিয়া বলেন,এ বিষয়ে খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Matribumi Barta Online Newspaper