“তাছাড়া ফেসবুকে চ্যাটিংয়ের কারণে স্বামী, স্ত্রীকে সন্দেহ করছে আর স্ত্রী, স্বামীকে সন্দেহ করছে”
ফেসবুক ব্যবহারের কারণে শতকরা ৯৫ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদ হয় বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ।
বৃহস্পতিবার (১১ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর আজিমপুর কমিউনিটি সেন্টারে কেন্দ্রীয় ১৪ দল আয়োজিত মাদকমুক্ত সমাজ ও নিরাপদ সড়কের দাবিতে আয়োজিত অভিভাবক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, “ফেসবুক ব্যবহারের কারণে শতকরা ৯৫ ভাগ বিবাহ বিচ্ছেদ হচ্ছে। ছেলেমেয়েরা পড়াশোনায় মনোযোগ না দিয়ে ফেসবুকের দিকে ঝুঁকে পড়ছে। অভিভাবকরা যারা এখানে আছেন আপনারা ছেলেমেয়েদের স্মার্টফোন কিনে দেওয়ার আগে এই বিষয়গুলো চিন্তা করবেন। তাছাড়া ফেসবুকে চ্যাটিংয়ের কারণে স্বামী, স্ত্রীকে সন্দেহ করছে আর স্ত্রী, স্বামীকে সন্দেহ করছে। নিজেদের মধ্যে কলহ দিন দিন বাড়ছে। এক পরিবারে পাঁচজন সদস্য থাকলে পারিবারিক কথা আর হয় না, সেখানে দেখা যায় সবাই ফেসবুক নিয়ে বসে আছে। বছরে ৩০ হাজার বিবাহ বিচ্ছেদ হলে এর মধ্যে শতকরা ৯০ ভাগ বিচ্ছেদ হচ্ছে এই ফেসবুকের কারণে।”
অনুষ্ঠানে সড়ক দুর্ঘটনা সম্পর্কে হানিফ বলেন, “যিনি ড্রাইভিং লাইসেন্স দেন, রোড পারমিট দেন সড়ক দুর্ঘটনার জন্য তারাও দায়ী। যে চালককে লাইসেন্স দেওয়া হয় তাদের অধিকাংশই অশিক্ষিত ও অর্ধ শিক্ষিত। কোনও আইন জানে না, ন্যূনতম জ্ঞান নেই। তাদের লাইসেন্স দেওয়ার কারণে এই সমস্যা হয়।”
তিনি বলেন, প্রত্যেক দুর্ঘটনার পর যানবাহনের মালিককেও আসামি করে মামলা দিতে হবে। তাহলে মালিকরা আর অদক্ষ চালককে নিয়োগ দেবে না।
ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন জাসদের কার্যকরী সভাপতি মঈনুদ্দিন খান বাদল, সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া, জাতীয় পার্টির (জেপি) মহাসচিব শেখ শহীদুল ইসলাম, জাসদের সাধারণ সম্পাদক শিরিণ আক্তার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক শাহাদাৎ হোসেন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি আবুল হাসনাতসহ অভিভাবক ও শিক্ষক প্রতিনিধিরা।
Matribumi Barta Online Newspaper