মো.এরশাদ হোসেন কেরানীগঞ্জ (ঢাকা)প্রতিনিধিঃ
কেরানীগঞ্জের তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে বন্ধুর হাতে বন্ধু খুন। নিহতের নাম আজাদ(১৬)।এঘটনা ঘটেছে আগানগর ইউনিয়নের আমবাগিচা এলাকার।
গতকাল ২২জুন রাত সাড়ে ৮ টায় ঝাউবাড়ি পুকুর পাড় এলাকায় কয়েক বন্ধু মিলে আজাদকে ডেকে নিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত ও পার মারে। রক্তাত্ত অবস্থায় স্যার সলিমুল্লাহ মেডিক্যাল কলেজ (মিটফোর্ড হাসপাতাল) নিয়ে গেলে কর্তব্যরত ডাক্তার নিহত ঘোষনা করেন। এঘটনায় নিহত আজাদের স্কুল বন্ধু মালেক (১৮), ফাহিম (১৬) শাকিল (২০) সহ অজ্ঞান ৬ জন এ হত্যার সাথে জড়িত বলে পরিবারে দাবি।
নিহত আজাদের স্ব-পরিবার কেরানীগঞ্জের আমবাগিচা এলাকার পুকুরপাড় রোডের খালেক মিয়ার বাড়ীতে ভাড়া বসবাস করতেন। আজাদ কয়েকদিন আগে বড় ভাই আমজাদ হোসেনের সাথে ঢাকায় বাবা-মায়ের কাছে বেড়াতে আসেন। বড় ভাই আমজাদ নিজের কাছে রেখে ও আজাদকে টাঙ্গাইল জেলায় লেখাপড়া করান। আজাদ পরীক্ষায় সময় কেরানীগঞ্জের আগানগর উচ্চ বিদ্যালয়ের এসে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করতেন। নিহতের পরিবারে ২ ভাই ও ২ বোন । আজাদ দিদারুল্লাহ গ্রামের দৈলদিয়া গ্রামের ভোলা জেলার মোঃ আমির হোসেনের ছেলে। নিহতের পিতা আমবাগিচা এলাকায় আল্লারদান ফামের্সী ঔষধের ব্যবসা করেন।
নিহতের বাবা আমির হোসেন বলেন, গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ৮ টায় আমার ছোট ছেলে আজাদকে তার স্কুল বন্ধু মালেক বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। রাত ১১ টায় এলাকাবাসী আজাদকে আমার ফামের্সীতে রক্তাত্ত অবস্থায় নিয়ে আসেন। । আমার নিরাপরাধ সন্তানের হত্যাকারীদের কঠিন শান্তির দাবি করছি।
নিহতের বড় ভাই মোঃ আমজাদ বলেন, আমার ছোট ভাইকে ওর স্কুল বন্ধুমহল মালেক,ফাহিম,শাকিল বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পীত ভাবে ছুরিকাঘাত করে হত্যা করেছেন।এলাকাবাসী আসামী মালেককে ধরে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন অন্যরা পারিয়ে যায়। আমার ছোট ভাইয়ের হত্যাকারিদের ফাঁসি চাই।
নিহতের মামা আমজাদ হোসেন বলেন- আজাদ ও আমজাদ আমার দুই ভাগিনা টাঙ্গাইজেলায় থেকে লেখাপড়া করেন। আজাদ ঢাকার ভাড়া বাসায় বেরাতে আসেন। তার কিছু স্কুল বন্ধু বাসা থেকে ডেকে নিয়ে পরিকল্পীত ভাবে তাকে হত্যা করেন।
কেরানীগঞ্জ দক্ষিণ থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ্জামান বলেন, আজাদ হত্যার সাথে জড়িত মালেক নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ ঘটনায় আজাদের বাবা আমির হোসেন বাদী হয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানায় একটি হত্যার মামলা দায়ের করেছন।হত্যা কান্ডের সাথে জড়িত বাকি আসামীদের আইনের আওতায় আনা হবে।
Matribumi Barta Online Newspaper